চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের পদ্মা নদীতে বাংলাদেশির অর্ধগলিত মরদেহ

লাইভ রিপোর্ট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
১৭ মে ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের পদ্মা নদীতে বাংলাদেশির অর্ধগলিত মরদেহ
ফাইল ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হাকিমপুর সীমান্ত সংলগ্ন পদ্মা নদীর চর থেকে শওকত আলী নামে এক বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে নৌ-পুলিশ ও শিবগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথভাবে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নৌ পুলিশের গোদাগাড়ী ইউনিটের ওসি জীবন রায় ও শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি মতিউর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শওকত আলী শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঁঠাপাড়ার মৃত মো. মিজানের ছেলে। তিনি গত ১০ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

নৌ পুলিশের ওসি জীবন রায় বলেন, স্থানীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে শওকতের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি ভাসতে ভাসতে পদ্মার চরে এসে আটকে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, তবে গুলির চিহ্ন নেই। শওকত আলী কিভাবে মারা গেছে তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর জানা যাবে।

শিবগঞ্জ থানার ওসি মতিউর রহমান বলেন, গত ১০ মে থেকে শওকত নিখোঁজ ছিলেন। তিনি সীমান্তে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্থানীয়রা পুলিশকে জানিয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়েন অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, হাকিমপুর সীমান্তে পদ্মার চরেই দুই দেশের সীমানার শুন্যরেখা (জিরো লাইন)। আমরা যেটা শুনেছি মরদেহটি ভারতীয় অংশে ছিলো। নিহতের আত্মীয়-স্বজনরাই বাংলাদেশ ভূখণ্ডে নিয়ে এসেছে। পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে মরদেহটি। তিনি আরও বলেন, নিহত শওকতসহ আরো কয়েকজন চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতে যান ১০ মে রাতে। বাকিরা ফিরে আসলেও শওকত নিখোঁজ ছিলো। তবে কিভাবে মারা গেছে তা খতিয়ে দেখছে বিজিবি। এ ব্যাপারে নিহতের পরিবার থেকেও বিজিবির কাছে কোন আবেদন বা অভিযোগ জানানো হয় নি।

Read more — স্থানীয়
← Home